নবাব সিরাজদ্দৌল্লার অন্যতম বিশ্বস্ত সেনানায়ক ছিলেন মীরমদন। ১৭৫৭ সালের
২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিরুদ্ধে কামানের গোলাতে সেখানেই মৃত্যু হয় মীরমদনের। পরে সহযোদ্ধারা গোপনে পলাশী প্রান্তরের পাশেই রেজিনগরের
ফরিদপুর গ্রামে ফরিদ শাহ নামে এক পীরের মাজারের পাশে তাঁকে সমাহিত করেন। উল্লেখ্য ফরিদ
শাহের নাম থেকে গ্রামের নাম হয় ফরিদপুর। রেজিনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে পশ্চিমে প্রায় দেড় কিমি দূরে ফরিদপুর। মীরমদনের সমাধিক্ষেত্রের একটি সামান্যতম নিদর্শন চিহ্ন ছাড়া আর
কিছুই নেই সেখানে।
Showing posts with label name. Show all posts
Showing posts with label name. Show all posts
পলাশী নামকরণ
[ ছবি: কল্পিত ]
২৩ শে জুন ১৭৫৭ সালে বাংলা বিহার ওড়িষার নবাব সিরাজউদ্দৌল্লার পতন ঘটে পলাশীর প্রান্তরে। অগণিত সৈন্যের রক্তে লাল হয়ে যায় এই যুদ্ধক্ষেত্র। পশ্চিম দিগন্তে ভাগিরথীর বুকে অস্ত যায় বাংলার স্বাধীনতার সূর্য। অথচ অতীতে একসময় এই বিস্তৃত প্রান্তর ও রাস্তার দু'ধারে অসংখ্য পলাশ বৃক্ষ তার সুশীতল ছায়া বিছিয়ে সারে সারে দাঁড়িয়ে ছিল। বসন্তের আগমনে সৌরভের লালশিখা জ্বালিয়ে ফুলে ফুলে ভরে উঠতো গাছগুলি। মৌমাছির গুঞ্জনে আর কোকিলের কুহু কুহু কূজনে এক মনোরম নান্দনিক পরিবেশের উদয় ঘটতো। সেই থেকে এই জনপদের নাম হয় পলাশী। আজ এখানে কোন পলাশ গাছ দেখা যায় না। শুধু নামটি বাংলা ছাড়িয়ে ভারত তথা বিশ্বের ইতিহাসের মানচিত্রে জ্বলজ্বল করছে।
শেয়ার করুন




