'সোঁদামাটি' সাহিত্য পত্রিকা ও 'ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদ' ফেসবুক গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে এই ওয়েবসাইট।

Showing posts with label name. Show all posts
Showing posts with label name. Show all posts

‪‪‪মীরমদনের সমাধিক্ষেত্র‬


নবাব সিরাজদ্দৌল্লার অন্যতম বিশ্বস্ত সেনানায়ক ছিলেন মীরমদন। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিরুদ্ধে কামানের গোলাতে সেখানেই মৃত্যু হয় মীরমদনের। পরে সহযোদ্ধারা গোপনে পলাশী প্রান্তরের পাশেই রেজিনগরের ফরিদপুর গ্রামে ফরিদ শাহ নামে এক পীরের মাজারের পাশে তাঁকে সমাহিত করেন। উল্লেখ্য ফরিদ শাহের নাম থেকে গ্রামের নাম হয় ফরিদপুর। রেজিনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে পশ্চিমে প্রায় দেড় কিমি দূরে ফরিদপুর। মীরমদনের সমাধিক্ষেত্রের একটি সামান্যতম নিদর্শন চিহ্ন ছাড়া আর কিছুই নেই সেখানে।



শেয়ার করুন

‪সাগরদীঘি‬


মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘি ব্লকে সাগরদীঘি নামে এক বিশাল জলাশয় আছে। পূর্ব-পশ্চিমে যার দৈঘ্য প্রায় এক মাইল। আনুমানিক অষ্টম শতকে মহীপালের রাজত্বকালে এই দীঘি খনন করা হয়েছিল।


শেয়ার করুন

‪বহরমপুর নামকরণ‬


মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর। ১৭০৪ সালে বাংলা-বিহার-ওড়িষার রাজধানী মুর্শিদাবাদের পত্তনের সময় বহরমপুর ছিল রাজধানীর দক্ষিণে একটি গ্রাম। তখন তার নাম ছিল সাতপুকুরিয়া ব্রহ্মপুর। গ্রামটার পূর্ব ও পশ্চিম দু'দিক দিয়ে ভাগিরথী নদী প্রবাহিত ছিল। গ্রামটায় ৭০০ ঘর ব্রাহ্মণ বাস করতো - তাই হয়েছিল ব্রহ্মপুর।


শেয়ার করুন

মুর্শিদাবাদ নামকরণ‬


মুর্শিদাবাদ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলা। মুর্শিদাবাদ একদা বাংলা বিহার ওড়িষার রাজধানী ছিল। ১৭০৪ সালে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজস্ব আদায় কেন্দ্র ঢাকা থেকে স্থানান্তরিত করেন মুখসুদাবাদে। তারপর দিল্লীর সম্রাট ঔরঙ্গজেবের অনুমতি পেয়ে নিজের নামে মুখসুদাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখেন মুর্শিদাবাদ।


শেয়ার করুন

‪পলাশী নামকরণ‬


                                      [ ছবি: কল্পিত ]

২৩ শে জুন ১৭৫৭ সালে বাংলা বিহার ওড়িষার নবাব সিরাজউদ্দৌল্লার পতন ঘটে পলাশীর প্রান্তরে। অগণিত সৈন্যের রক্তে লাল হয়ে যায় এই যুদ্ধক্ষেত্র। পশ্চিম দিগন্তে ভাগিরথীর বুকে অস্ত যায় বাংলার স্বাধীনতার সূর্য। অথচ অতীতে একসময় এই বিস্তৃত প্রান্তর ও রাস্তার দু'ধারে অসংখ্য পলাশ বৃক্ষ তার সুশীতল ছায়া বিছিয়ে সারে সারে দাঁড়িয়ে ছিল। বসন্তের আগমনে সৌরভের লালশিখা জ্বালিয়ে ফুলে ফুলে ভরে উঠতো গাছগুলি। মৌমাছির গুঞ্জনে আর কোকিলের কুহু কুহু কূজনে এক মনোরম নান্দনিক পরিবেশের উদয় ঘটতো। সেই থেকে এই জনপদের নাম হয় পলাশী। আজ এখানে কোন পলাশ গাছ দেখা যায় না। শুধু নামটি বাংলা ছাড়িয়ে ভারত তথা বিশ্বের ইতিহাসের মানচিত্রে জ্বলজ্বল করছে।




শেয়ার করুন