'সোঁদামাটি' সাহিত্য পত্রিকা ও 'ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদ' ফেসবুক গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে এই ওয়েবসাইট।

Showing posts with label archeologic. Show all posts
Showing posts with label archeologic. Show all posts

রুপচাঁদ অধিকারী ও ঢপকীর্ত্তন

রুপচাঁদ অধিকারীর বাড়ি

রাধা-কৃষ্ণের লীলাবিষয়ক  আধ্যাত্মিক মাহাত্ম সংগীতকে এককথায় কীর্ত্তন গান বলে। এই কীর্ত্তনাঙ্গের এক অন্যতম ধারা হল ঢপকীর্ত্তন।  ঢপকীর্ত্তনের শ্রেষ্ঠ গায়ক ছিলেন রুপচাঁদ অধিকারী। তাঁকে অনেকে ঢপকীর্ত্তন গানের প্রবর্তক বলেন। ১৭২২ সালে সুগায়ক রুপচাঁদের জন্ম হয়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গার দক্ষিণপাড়ায়। 


শেয়ার করুন

বেলডাঙার চিনির মিল

চিনির মিল, বেলডাঙা (Sugar Mill, Beldanga)

সালটা ১৯৪৭। তখনও দেশ স্বাধীন হয়নি। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ ভাগের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। এরই মধ্যে নোটিফিকেশন জারি করে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। কারণ মুর্শিদাবাদ জেলা পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। এভাবেই বন্ধ হয়ে পড়ে বেলডাঙ্গা শ্রীরাধাকৃষ্ণ সুগার মিল।


শেয়ার করুন

বাবুলবোনা রেসিডেন্সি সমাধিক্ষেত্র


বহরমপুরের একটি অন্যতম ঐতিহাসিক কীর্তি হলো বাবুলবোনা রেসিডেন্সি সমাধি। বহরমপুর বাবুলবোনার ৩৪ নং জাতীয় সড়কের পাশেই অবস্থিত। রেসিডেন্সি সমাধিক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ বাসিন্দাদের এবং সামরিক ব্যক্তিদের কবর রয়েছে। যারা ব্রিটিশ আমলে বহরমপুর বসবাস করতেন এবং এখানে মারা গেছেন। এই রকম কিছু ব্যক্তির সমাধি হলো-


শেয়ার করুন

নবাবী আমলের টাঁকশাল


নবাবী আমলে মুর্শিদাবাদে টাঁকশাল ছিল। মুদ্রা তৈরির কারখানাকে বাংলায় টাঁকশাল, ইংরেজিতে মিন্ট্ (mint) বলে। কিন্তু টাঁকশালটি কোথায় ছিল সে সম্পর্কে মতভেদ আছে। কেউ কেউ বলেন টাঁকশালটি প্রথমে ছিল নদীর ওপারে ইচ্ছাগঞ্জের ঠিক বিপরীত দিকে। পরে সেখান থেকে সরিয়ে আনা হয়েছিল ইমামবারার কাছে। সেই টাঁকশালের জায়গায় বর্তমান ইমামবারার পশ্চিমাংশ নির্মাণ করা হয়েছিল। সামনের বাঁধা ঘাট- যার নাম মিন্টঘাট তাকেই  টাঁকশালের প্রমাণ হিসাবে তারা উত্থাপন করেন। আবার কেউ কেউ বলেন টাঁকশাল দেখাশোনার দায়িত্ব যেহেতু জগৎশেঠের উপর ছিল, সেহেতু টাঁকশালটি ছিল জগৎশেঠদের বাড়ির কাছাকাছি। বর্তমানে জগৎশেঠদের সেই বাড়ি নদী গর্ভে। নবাবী আমলে জগৎশেঠ পরিবার সোনা- চাঁদির একচেটিয়া কারবার করতেন এবং নবাবকে সরবরাহ করতেন। তার জন্য তারা বাট্রা ও কমিশন পেতেন। 


শেয়ার করুন

স্মৃতিসৌধ পলাশী যুদ্ধে সিরাজ বাহিনীর তিন যোদ্ধার


পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজ বাহিনীর অন্যতম তিন বীরযোদ্ধা - বক্সী মীরমদন (প্রধান,কামানবাহিনী), বাহাদুর আলি খান (কমান্ডার, বন্দুকবাহিনী), নওয়ে সিংহ হাজারি (ক্যাপ্টেন, কামানবাহিনী)-র - স্মৃতিসৌধ। এঁরা মীরমদনের দ্বারা পরিচালিত যোদ্ধা ছিলেন। পলাশী যুদ্ধে এঁরা নিহত হন। পলাশী মনুমেন্ট থেকে প্রায় ২৫০ মিটার পশ্চিমে মাঠে এটি অবস্থিত।




শেয়ার করুন

নিমতিতা রাজবাড়ি



     মুর্শিদাবাদ জেলার সূতীর নিমতিতা রাজবাড়ি বাংলার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এক সময় বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছিল। সুদূর কলকাতা থেকে এসেছিলেন সত্যজিৎ রায় তাঁর 'জলসাঘর' (১৯৫৭), 'দেবী' (১৯৫৯), 'সমাপ্তি' (১৯৬০) সিনেমার শুটিং করতে এই রাজবাড়িতে। রাজবাড়ির চাকচিক্য ও জাঁকজমক মন কেড়ে নিয়েছিল সিনেমাপ্রেমী মানুষের সেই সময়। 


শেয়ার করুন

ছিদ্রহীন ঘর



মতিঝিল কালা মসজিদের পাশে একটা ঘর আছে, যার কোনও দরজা বা জানালা নেই । চারদিকে দেওয়াল দিয়ে ঘেরা। ছাদটাও ঢাকা । জনশ্রুতি আছে, সিরাজ এক ফৈজীর ওপর রেগে গিয়ে তাঁকে মাঝখানে রেখে এই ঘর তৈরি করান ।



শেয়ার করুন

চেহেল সেতুন প্রাসাদ



মুর্শিদকুলি খাঁর প্রাসাদের নাম ছিল চেহেল সেতুন। চেহেল-সেঁতু কথাটির মানে চল্লিশটি খিলান্‌। চল্লিশটি খিলান ছিল বলে এই প্রাসাদের নাম চেহেল-সেঁতু। ১৭০৪ সালে রাজস্ব বিভাগের রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরে আনার পরই মুর্শিদকুলি খাঁ ওই প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। 
বর্তমানে মুন্নিবেগমের চক মসজিদটি যেখানে অবস্থিত ঠিক সেখানেই চেহেল সেতুন ছিল। মুর্শিদকুলি খাঁর প্রাসাদটি ভেঙে পড়লে সেখানেই চক মসজিদ ও মতিমহল নামে একটি নতুন প্রাসাদ নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটি এখনও আছে, কিন্তু মতিমহলের বেশির ভাগই ভেঙে পড়েছে।


শেয়ার করুন

হরিহরপাড়া‪ চোঁয়া নীলকুঠী‬


ব্রিটিশ আমলের অবসান হয়েছে ৬৭ বছর আগে। তার আগে নীলকর কুঠিয়ালরা বিদায় নিয়েছে, সেও শতাধিক বছর আগের কথা। কিন্তু তাদের অত্যাচারের কাহিনী আর আমাদের নীল বিদ্রোহের গর্বিত ইতিহাস মুছে যায়নি। সভ্যমনুষ্য রূপী অসভ্য কুঠিয়ালদের পাশবিক নির্যাতনের হাত থেকে সেদিন মুর্শিদাবাদেরও কৃষকরাও রক্ষা পায়নি। তার জ্বলন্ত উদাহরণ কালের সাক্ষী হয়ে দাঁডিয়ে আছে হরিহরপাড়ার চোঁয়ার নীলকুঠী।


শেয়ার করুন

হীরাঝিল‬ - নবাব সিরাজের প্রাসাদ‬‬


    বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার স্বপ্নের প্রাসাদটি হলো হীরাঝিল। মুর্শিদাবাদের অদূরে জাফরাগঞ্জের বিপরীতে ভাগীরথী নদীর ওপারে পশ্চিমতীরে নবাব সিরাজের সাধের প্রাসাদ হীরাঝিলটি ছিল। নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যার পরবর্তীতে সর্বস্ব লুটপাটের পাশাপাশি ওই প্রাসাদটি ইংরেজরা ধ্বংস করে দেয়। বাকিটুকু স্রোতধারা ভাগীরথী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে ভগ্ন চত্বরের কয়েকটি অংশ ছাড়া কোন চিহ্নই আর বিদ্যমান নেই। জানা যায়, মেসো ও মাসি নওয়াজিশ আহমদ ও ঘসেটি বেগম-এর সুরম্য হ্রদবেষ্টিত প্রমোদ কানন মোতিঝিল প্রাসাদের ঐশ্বর্য দেখে নবাবি পাওয়ার পূর্বেই সিরাজউদ্দৌলার ইচ্ছে হলো ভাগীরথী নদীর অপর পারে তিনি গড়বেন আরেক প্রাসাদ। নানা আলীবর্দী খাঁর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তিনি সেই ইচ্ছা পূরণ করলেন ১৭৪৬ সালে এবং প্রাসাদের নাম দিলেন হীরাঝিল।


শেয়ার করুন

‪‪‪মীরমদনের সমাধিক্ষেত্র‬


নবাব সিরাজদ্দৌল্লার অন্যতম বিশ্বস্ত সেনানায়ক ছিলেন মীরমদন। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিরুদ্ধে কামানের গোলাতে সেখানেই মৃত্যু হয় মীরমদনের। পরে সহযোদ্ধারা গোপনে পলাশী প্রান্তরের পাশেই রেজিনগরের ফরিদপুর গ্রামে ফরিদ শাহ নামে এক পীরের মাজারের পাশে তাঁকে সমাহিত করেন। উল্লেখ্য ফরিদ শাহের নাম থেকে গ্রামের নাম হয় ফরিদপুর। রেজিনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে পশ্চিমে প্রায় দেড় কিমি দূরে ফরিদপুর। মীরমদনের সমাধিক্ষেত্রের একটি সামান্যতম নিদর্শন চিহ্ন ছাড়া আর কিছুই নেই সেখানে।



শেয়ার করুন

পলাশীর আম বাগান ও মনুমেন্ট


পলাশীর যুদ্ধের কথা মনে পড়লে আম বাগানের কথা মনে আসে। পলাশীর ওই আম বাগানের নাম ছিল লক্কাবাগ বা লক্ষবাগ। প্রায় এক লক্ষ আমগাছ ছিল বলে একে লক্ষবাগ বা লাখবাগও বলা হোত। বাগানটির দৈঘ্য ছিল ১৬০০ হাত, চওড়া ৬০০ হাত। বাগানের চারদিকে মাটির বাঁধ দেওয়া ছিল যাতে বানের সময় ভাগিরথীর জল না প্রবেশ করে। বাঁধের পাশে ছিল সামান্য খাল। বাগানের উত্তর পশ্চিম কোণে নদীর ধার ঘেঁসে ছিল নবাবদের শিকারের জন্য তৈরি একটা ঘর। তার চারদিকে ইটের প্রাচীর ছিল। ওই বাগানেই ইংরেজ সৈন্য ২২ শে জুন রাতে শিবির করে বিশ্রাম নিয়েছিল। পরের দিন অর্থাৎ ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ওই আম বাগানের ভিতর থেকেই তারা যুদ্ধ পরিচালনা করেছিল।


শেয়ার করুন

খেরুর মসজিদ


মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার শেখদিঘি গ্রাম লাগোয়া ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের মোড় থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে খেরুর গ্রাম। খেরুর গ্রামের উত্তর-পূর্ব কোণে আনুমানিক তিন মিটার উচু একটি টিলার উপর খেরুর মসজিদ অবস্থিত।


শেয়ার করুন

রেসিডেন্সি সমাধিক্ষেত্র


কাশিমবাজার বড়ো রাজিবাড়ির কিছুটা উত্তর দিকে ইংরেজদের এই সমাধিস্থান রয়েছে। এখানে ওয়ারেন হেস্টিং-এর প্রথম স্ত্রী মেরী (১৭৫০), শিশুকন্যা এলিজাবেথ (১৭৮৪), ক্যাপ্টেন হ্যারি (১৭৮২) সহ ১৮জনের সমাধি রয়েছে।



শেয়ার করুন

মুর্শিদাবাদ জেলা সংগ্রহশালা



জিয়াগঞ্জের নেহালিয়ায় গড়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদ জেলা সংগ্রহশালা। সংগ্রহশালাটির প্রাণপুরুষ ছিলেন জিয়াগঞ্জের রায়বাহাদুর সুরেন্দ্রনারায়ণ সিংহ। ১৯৬০ সালে তাঁর নিরলস প্রয়াসে সংগৃহীত প্রত্ন সামগ্রী ও সংগ্রহশালার জমি সরকারকে প্রদান করেন। তখন থেকে শুরু হয় সংগ্রহশালা গড়ার কাজ। বর্তমান রাজ্য পুরাতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় সংগ্রহশালাটি মুর্শিদাবাদের পর্যটনের মানচিত্রে উজ্জ্বল স্থান অধিকার করেছে। মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগৃহীত প্রত্নবস্তুগুলি তিনটে সুসজ্জিত কক্ষে এই মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হয়েছে।



শেয়ার করুন

চাঁদপুরের ‪ ‎নীলকুঠি



ধ্বংসাবশেষের কঙ্কাল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে নওদা ব্লকের পাটিকাবাড়ি চাঁদপুরের  নীলকুঠি। ইংরেজ নীলকর সাহেবদের বাংলার কৃষকের উপর বহু অত্যাচারের কাহিনীর সাক্ষী এই কুঠিটি।




শেয়ার করুন

‪বড়নগরে হপ্তপরগণা কাছারি‬ বাড়ি



রানী ভবানীর চারবাংলা মন্দিরের উত্তরে রাজা বিশ্বনাথের অসম্পূর্ণ হপ্তপরগণার (সপ্তপরগণার) কাছারিবাড়ি এটি। রাজা সাতটি পরগণার জমিদারী কার্য পরিচালনার জন্য কাছারিটি নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু তা সম্পূর্ণ করতে পারেননি। বর্তমানে সেটির ভগ্নাবশেষ অংশটি জঙ্গলাবৃত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাজা বিশ্বনাথ ছিলেন রানী ভবানীর দত্তকপুত্র (পালিতপুত্র) রাজা রামকৃষ্ণের জ্যেষ্ঠপুত্র।





শেয়ার করুন

‪কর্ণসুবর্ণ- রাজা শশাঙ্কের রাজধানী



মুর্শিদাবাদ জেলার সদর বহরমপুর থেকে ৯.৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী রাঙামাটি গ্রাম এলাকায় অবস্থিত কর্ণসুবর্ণ। শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। বঙ্গের প্রথম সার্বভৌম রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর প্রথম ভাগে তিনি একাধিক ছোটো ছোটো রাজ্যে বিভক্ত সমগ্র বঙ্গ অঞ্চলটিকে একত্রিত করে একটি সুসংহত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।


শেয়ার করুন

দাদপুর, নবাবী চটী ও নীলকুঠী‬



বেলডাঙ্গা হতে প্রায় ৬ কিমি দক্ষিনে ৩৪নং জাতীয় সড়কের পাশে দাদপুর গ্রাম। মুর্শিদাবাদের নবাবী ও ইংরেজ ইতিহাসের অনেক কিছু সাক্ষী এই গ্রাম। দাদপুরে নবাবী এক প্রসিদ্ধ চটী ছিল। এখানে নবাবের অনেক লোকজন বাস করত। নবাবের একটি নিজ বাসস্থান ছিল, তাকে নবাববাটী বলতো। নবাবদের হাতি, ঘোড়া প্রভৃতি আবাসস্থানের জন্য ফিলখানাও এখানে ছিল। বর্তমানে এগুলি সবই ভাগিরথীর ও দাদপুর বাঁওড়ের জলে। পলাশী যুদ্ধের আগে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা এখানে শিবির করেছিলেন।



শেয়ার করুন

‪‬মোতিঝিল, সাঙ্গ ই দালান



ঘসেটি বেগমের স্বামী নওয়াজেস মহম্মদ খাঁ "সাঙ্গ-ই-দালান" অর্থাৎ পাথরের প্রাসাদ তৈরি করেন। পুর্বদিকে মোতিঝিল যেখানে বাঁক নিয়েছে ঠিক সেখানে। প্রাচীন বাংলার গৌড়ের ভগ্নস্তূপ থেকে পাথর ও মার্বেল এনে ওই প্রাসাদ তৈরি করে ছিলেন। সুরম্য প্রাসাদের প্রতিচ্ছবি ঝিলের জলে ভেসে উঠত। এখানে ঘসেটি বেগম ও তার স্বামী বাস করতেন। মোতিঝিল প্রাসাদের সুবিস্তৃত প্রাঙ্গণে নানাবিধ ফুল ও ফলের বৃক্ষ দ্বারা সজ্জিত ছিল। (বর্তমানে যেটা প্রকৃতি তীর্থ পার্ক হয়েছে।) প্রবেশ পথে পশ্চিম প্রান্তে এক সুবিশাল তোরণ ছিল, আজও তার ভগ্নাংশ দাঁড়িয়ে আছে। প্রাসাদের ভিত ও কৃষ্ণ প্রস্তরের ভগ্নস্তূপ এখনও আছে। বর্তমানে যেখানে ঘসেটি বেগমের ষড়যন্ত্র সভার স্ট্যাচুগুলি আছে তার দু'পাশে ও পিছনে।




শেয়ার করুন